lions-600x336

ঘুমন্ত সিংহের ছবি তুলে তাক লাগিয়ে দিলেন নিকোলস

তখন আফ্রিকান আকাশ মেঘে ঢাকা, চারিদিকে কুয়াশা কুয়াশা ভাব। এমনই এক মুহূর্তে তাঞ্জানিয়ার সেরেনগেতি ইকোসিস্টেম এলাকা থেকে বিশ্রামরত অবস্থায় কয়েকটি সিংহের ছবি তুলেছিলেন আমেরিকান ফটোগ্রাফার মাইকেল নিকোলস্। আফ্রিকান আকাশ, প্রকৃতি ও কয়েকটি সিংহের ছবি তুলেই তাক লাগিয়ে দিলেন তিনি। মাইকেল নিকোলসের এ ছবি ‘ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার অব দ্য ইয়ার-২০১৪’ এওয়ার্ড জিতেছে। লন্ডনের ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামে এ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। ‘ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার অব দ্য ইয়ার’ এর এবার ৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ছিল।

বুধবার বিবিসি অনলাইনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
এই প্রতিযোগিতার বিচারক ম্যাগডালেনা হেরেরা বলেছেন, একটি পূর্ণাঙ্গ ছবি বলতে আমরা যা বুঝি তার প্রতিটি উপাদানই নিকোলসের ছবির মধ্যে ছিল। তার সাদাকালো এই ছবি শুধু একটি ছবিই নয়। এটি পরিবেশের সাথে প্রাণীর যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে তা তুলে ধরেছে।
অন্যদিকে স্পেনের মাত্র আট বছর বয়সী ছেলে কার্লোস পেরেজ নাভাল পড়ন্ত বিকেলে প্রকৃতিতে প্রাণীর অবস্থান নিয়ে ছবি তুলে ‘ইয়ং ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার অব দ্য ইয়ার’ এর পুরস্কার জিতেছেন। মাত্র আট বছর বয়সে প্রযুক্তিগত দক্ষতা প্রমাণ করে দর্শকদের যে সুন্দর ছবি পেরেজ উপহার দিয়েছেন তাতে অনেকেই হতবাক।
চিলির ফ্রান্সিসকো নিগরোনি বজ্রপাতের ছবি তুলে ‘আর্থস এনভায়রনমেন্ট’ পুরস্কার জিতেছেন। তিনি দেশটির পুয়েহিউ-কর্ডন কলে অঞ্চলে ভলকানো কমপ্লেক্স এলাকা থেকে এ ছবিটি তুলেছেন।
সুইডেনের অ্যানটোন লিলজা একটি পুরুষ ব্যাঙের যৌনক্রিয়ার সময়কার ছবি তুলে ১৫-১৭ বছর ক্যাটাগরিতে পুরস্কার জিতেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের অ্যালেক্স বাদায়েভ মাশরুমের উপর বসে থাকা হরিণ ও ইঁদুরের ছবি তুলে ম্যামালস ক্যাটাগরিতে পুরস্কার জিতেছেন।
ব্রুনো ডি’অ্যামিকিস তিউনিশিয়ার এক ছেলের একটি ফেন্স ফক্স অবৈধভাবে বিক্রি করার সময়কার ছবি তুলে ওয়ার্ল্ড ইন আওয়ার হ্যান্ডস ক্যাটাগরিতে পুরস্কার জিতেছেন।
যুক্তরাজ্যের উইল জেনকিন্স সবুজ গিরগিটির ছবি তুলে ১১-১৪ বছর ক্যাটাগরিতে ফাইনালিস্ট হয়েছেন। তিনি কোস্টারিকার একটি হোটেল পুল থেকে এ ছবিটি তুলেছেন।

canadian-army

কানাডার পার্লামেন্টে হামলা, নিহত সেনা

কানাড়ার ঘড়ির কাঁটা দশটা ছোঁয়নি তখনও। সকালের কাজকর্ম শুরু হচ্ছিল কানাডার পার্লামেন্টে। হঠাৎ গুলির আওয়াজ। একটা নয়, অন্তত বার তিরিশেক। কেঁপে উঠল রাজধানী ওটাওয়ার পার্লামেন্ট হিল এলাকা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা দেখলেন, গুলি লেগে লুটিয়ে পড়ছেন পার্লামেন্টের বাইরে ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়ালের সামনে পাহারায় থাকা এক সেনা। দেখলেন, এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে চালাতে গাড়িতে উঠছে একটি লোক।

এর পর সেই গাড়িটাই তীব্র গতিতে নিরাপত্তা ব্যূহ ভেদ করে ঢুকে পড়ল পার্লামেন্ট চত্বরে। প্রাথমিক ঘোর কাটিয়ে উঠে গাড়ির পেছনে তখন ধাওয়া করেছে নিরাপত্তাবাহিনী। খানিক পরে পার্লামেন্ট ভবনের ভেতর থেকেও ভেসে এলো পরপর গুলির আওয়াজ। গোটা পার্লামেন্ট চত্বরে নিমেষে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। প্রধানমন্ত্রী স্টিফেন হারপার তো ভেতরেই রয়েছেন! নিরাপদে রয়েছেন কি তিনি?

কানাডার পার্লামেন্টে হামলায় গভীর রাত পর্যন্ত দু’জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ওয়ার মেমোরিয়ালের সামনে গুলিবিদ্ধ ওই সেনা প্রাথমিক চিকিৎসার পরেই মারা যান। এ ছাড়া, এক বন্দুকবাজ নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পার্লামেন্টের ভেতরেও অন্তত এক জন নিরাপত্তারক্ষীর আহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রীকে নিরাপদে বার করে আনা গিয়েছে বলে সরকারি সূত্র জানাচ্ছে।

সমস্ত আন্তর্জাতিক টিভি চ্যানেলের পর্দায় তখন কানাডার পার্লামেন্ট চত্বর। দেখা যায়, দ্রুত পজিশন নিচ্ছে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্রে সজ্জিত পুলিশবাহিনী। মাইকে চলছে ঘোষণা, “দুষ্কৃতীকে এখনও ধরতে পারিনি আমরা। পরিস্থিতি খুবই বিপজ্জনক। সবাই নিরাপদ জায়গা খুঁজে লুকিয়ে থাকার চেষ্টা করুন।”

শুধু পার্লামেন্ট নয়, কাছাকাছির একটি শপিং মলেও হানা দেয় বন্দুকবাজ। বন্ধ করে দেওয়া হয় ওটাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়, মার্কিন দূতাবাস। কোথাওই কেউ মারা গিয়েছেন বলে খবর নেই। তবে পার্লামেন্টের ভেতরে ওই নিরাপত্তারক্ষী-সহ আহতের সংখ্যা এখনও পর্যন্ত তিন।

খুব রহস্যময় ভাবেই জানা যাচ্ছে না, ঠিক কত জন বন্দুকবাজ ছিল। কেউ বলেছেন এক জন, কেউ বলেছেন, একের বেশি। পার্লামেন্টে হানা দেয়া দলটারই একটা অংশ শপিং মলে চড়াও হয়েছিল কি না, বোঝা যাচ্ছে না তা-ও। এটুকু শোনা যাচ্ছে, যে গাড়িটিতে চড়ে বন্দুকবাজ পার্লামেন্টে ঢোকে, সেটি ওয়ার মেমোরিয়ালের কাছ থেকেই ছিনতাই করা হয়েছিল।

কিন্তু কে বা কারা, কেন এই হামলা চালাল, তা নিয়েও জারি রয়েছে যথেষ্ট ধোঁয়াশা। পরে কানাডা প্রশাসন জানিয়েছে, কোনো গোষ্ঠী দায় স্বীকার না করলেও এই ঘটনায় জঙ্গি-যোগের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না তারা। এর আগে আইএস-সহ বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠীর কড়া সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী হারপার। জঙ্গি দমনে কড়া আইন প্রণয়নেরও তোড়জোড় করছিলেন তিনি। উপরন্তু বুধবারই শান্তির নোবেলজয়ী মালালা ইউসুফজাইকে কানাডার সাম্মানিক নাগরিকত্ব দেয়ার কথা ছিল। হামলার জেরে বাতিল করে দেয়া হয়েছে সেই অনুষ্ঠান।

কানাডায় বেড়াতে এসেছেন নেদারল্যান্ডসের বাসিন্দা জ্যান লাচটেনবার্গ। বললেন, “সকাল সকাল পার্লামেন্ট দেখতে পৌঁছে গিয়েছিলাম। হঠাত্ দেখলাম ছোটখাটো চেহারার একটা লোক, মাথায় লম্বা চুল। হাতে একটা বড়সড় রাইফেল নিয়ে পার্লামেন্ট হিলের দিকে দৌড়ে আসছে।” পার্লামেন্টের এক কর্মচারী স্কট ওয়ালশ জানিয়েছেন, বন্দুকবাজের পরনে ছিল নীল জিন্স, নীল জ্যাকেট। মুখে একটা স্কার্ফও বাঁধা ছিল। আর কোনো বন্দুকবাজকে দেখেছেন কি? স্পষ্ট উত্তর নেই।

তবে আশঙ্কার প্রহর গোনা শুরু করে দিয়েছে কানাডা প্রশাসন। চলতি সপ্তাহের গোড়ার দিকেই গাড়ি চাপা পড়ে মারা গিয়েছিলেন এক সেনা। সন্দেহ করা হচ্ছে, সেটা ছিল পরিকল্পিত খুন। তার পরেই পার্লামেন্টে জঙ্গি হানা। স্বভাবতই চূড়ান্ত সতর্ক নিরাপত্তাবাহিনী।

প্রধানমন্ত্রী হারপার টুইটারে মোটামুটি সক্রিয়। পার্লামেন্টে হানা নিয়ে তার কোনো টুইট অবশ্য গভীর রাত পর্যন্ত দেখা যায়নি।

তবে হোয়াইট হাউস সূত্রে জানানো হয়েছে, কানাডার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।

nancy-bg120111031132825_40987-650x336

জাসাসের পদ ছাড়লেন ন্যান্সি

জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনির ন্যান্সি জাসাস ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহ-সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এই পদ থেকে সরে দাঁড়ান তিনি।
পদ ছাড়ার বিষয়টি তিনি প্রথমে ফেসবুক স্ট্যাটাসের মধ্যে দিয়ে সবাইকে জানান।পদ থেকে সরে দাঁড়ালেও বিএনপির রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াননি তিনি।পদের বাইরে থেকে বিএনপির সঙ্গে সব সময় যুক্ত থাকবেন ন্যান্সি। এর আগে চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের ১১ তারিখ তিনি জাসাস (মহানগর দক্ষিন) এর সহ-সভাপতি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেন। আজ নিজের ফেসবুক পেজে পদ থেকে সরে এসে বিএনপি রাজনীতির সঙ্গে সব সময় থাকার কারণ ব্যাখ্যা করেন ন্যান্সি।
তার ফেসবুক স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো:
একজন মানুষের জ্ঞান মাপার জন্য যেমন তার সার্টিফিকেট জরুরি নয়, ঠিক তেমনি মন থেকে একনিষ্ঠভাবে রাজনীতি করার জন্যও পদ কোনো জরুরি বিষয় নয়৷ আজ বাংলাদেশের আকাশে বাতাসে শুধু পদের ধ্বনি শুনা যাচ্ছে!!
কেমন??!!
তা আমাকে হয়তো আর বিস্তারিত বলতে হবেনা৷ কারণ পত্র পত্রিকা আর সোস্যাল মিডিয়ার কল্যাণে সবাই তা দেখতে পাচ্ছেন৷ আর এটিও হয়তো দেখতে পেয়েছেন যে যারা পদ পদ করে রাস্তায় হাত উঁচু করে চিৎকার করছে তারা কারা?

দুদিন আগেই ফেসবুকে দেখলাম একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে বিএনপির আন্দোলনের ভেতর আওয়ামী লীগের কর্মী!! তাহলে বুঝুন অবস্থা আসলে কারা করছে পদের জন্য আন্দোলন?? হ্যাঁ আমি বলছিনা যে সেখানে বিএনপির কর্মী নেই বা পদের জন্য আন্দোলন করছে না৷ আন্দোলন হচ্ছে, তবে তা প্রকৃতপক্ষে দলকে সমালোচিত করার জন্য একটি মহলের উস্কানিতে হচ্ছে বলেই আমি মনে করি৷

পদের জন্য আন্দোলন আর লেজে ধরার ঘটনা আজ নতুন নয়৷ আর শুধু যে বিএনপিতেই পদ নিয়ে আন্দোলন হচ্ছে তা কিন্তু নয়৷ মনে আছে, ৭৫ এ ট্যাংকের উপর উঠে যারা নেচেছিল আর চামড়া দিয়ে ডুগডুগি বাজাতে চেয়েছিল তারা কিভাবে পরবর্তীতে শুধু পদ নয় মন্ত্রিত্বও পেয়েছে৷

৮১ তে নেত্রীর হাতে পায়ে তৈল মালিশ করে কিভাবে দলে জায়গা করে নিয়েছিলো আজকের তথাকথিত জনৈক মন্ত্রী৷ আবার কোন দলের নেতা ২০০১ এ নিজের দল থেকে নমিনেশন না পেয়ে দুঃখে কষ্টে দল ত্যাগ করে বেগম জিয়ার হাতে পায়ে ধরেছিলো বিএনপিতে জায়গা করে নেওয়ার জন্য৷ আর পদ/মন্ত্রিত্ব পাবার জন্য কে কার হাতে পায়ে ধরেছে সেটিও মানুষ ভুলে যায়নি৷ সুতরাং এটি নিয়ে এত আহামরি করার কিছুই নেই৷
ভাবছেন পদ নিয়ে হঠাৎ কেন আমি এত কথা বলছি??

আপনারা জানেন গত ১১/০৯/২০১৪ আমি জাসাস মহানগর দক্ষিণের সহ-সভাপতি হবার মাধ্যমে বিএনপির রাজনীতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেই৷ তারপর থেকেই একটি মহল এই ব্যাপারটি নিয়ে অনেক উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়ে আসছেন৷ অনেক আওয়ামী নেতা কর্মীকে দেখেছি তারা বলেছে আমি পদের জন্যই বিএনপিতে যোগ দিয়েছি৷ অনেক আপত্তিকর মন্তব্যও করেছে অনেকে৷
আবার কিছু কিছু অনলাইন হলুদ মিডিয়াকে দেখেছি আমার পদ পাওয়া এবং রাজনীতিতে যোগ দেওয়া নিয়ে এমন অনেক ভিত্তিহীন খবর তারা রসালো হেডলাইন দিয়ে প্রচার করেছে৷ যার কোনো সঠিক তথ্য আদৌ তাদের কাছে নেই এবং তারা দিতে পারবে না৷ তাদের উদ্দেশে হলো আমার নামে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর মাধ্যমে আমাকে এবং তার সাথে দলকে সমালোচনায় জড়ানো৷ এটি ছাড়া আর কিছুই নয়৷

তাদের উদ্দেশে আমি বলতে চাই- রাজনীতি সম্পর্কে জ্ঞান হবার পর থেকেই আমি বিএনপির রাজনীতি করি৷ বাংলাদেশে ধানের শীষে ভোট দেওয়া যত ভোটার আছে তারাও আমার মতই বিএনপি করে৷ তাদের যেমন রাজনীতি করার ক্ষেত্রে বা ধানের শীষে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের সাংগঠনিক পদের দরকার হয়নি/নেই, ঠিক তেমনি আমিও মনে করি আমারও রাজনীতি করার জন্য কোনো ধরনের পদের দরকার নেই৷
আমার যে পদের লোভ বা প্রয়োজন নেই তার একটি প্রমান হলো, আজ (২১/১০/২০১৪) আমি আমার যে বর্তমান পদটি ছিলো সেটি থেকে সরে দাঁড়িয়েছি৷ অর্থাৎ এই মুহুর্তে আমি আর জাসাসের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহ-সভাপতি পদে নেই৷

কিন্তু হ্যাঁ…..পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছি তাই বলে এটি ভাবার কোনো সুযোগ নেই যে আমি রাজনীতি বা বিএনপি থেকে সরে দাঁড়িয়েছি৷ আমি বিএনপির রাজনীতি অতীতে করে এসেছি, এখনো মনে প্রাণে করি এবং আমি ব্যাক্তি ন্যান্সিকে আল্লাহ যতদিন বাঁচিয়ে রাখবে ততদিন-ই আমি বিএনপির রাজনীতি করবো৷
যারা বলেন বিএনপিতে কর্মীরা পদের জন্য রাজনীতি করে তাদের বলছি, চিলে কান নিয়ে গেছে টাইপের মিথ্যা সমালোচনায় অযথা সময় নষ্ট না করে দেশ এবং দশের জন্য কিছু করার চেষ্টা করুন৷ এতে নিজের যেমন ভালো হবে তেমনি দেশের কিছুটা হলেও মঙ্গল হবে৷
সবাইকে ধন্যবাদ।

hasina

আমি টক কথা বলতে পারি না: প্রধানমন্ত্রী

টিভির টক শোতে যাওয়ার আমন্ত্রণের জবাবে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তার আপত্তি নেই। তবে তিনি টক কথা বলতে পারেন না।

বৃহস্পতিবার বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিকের আমন্ত্রণের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। সম্প্রতি তার ইতালি সফরের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনটির আয়োজন করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পর প্রশ্নোত্তর-পর্বে সদ্য যমুনা টিভিতে যোগ দেয়া জ ই মামুন প্রধানমন্ত্রীকে টিভির টক শোতে অংশ নেয়ার আমন্ত্রণ জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “টক শোতে যেতে আপত্তি নেই। তবে আমি অত টক টক কথা বলতে পারি না। আর মধ্যরাতে জেগেও থাকতে পারি না। আর কার বিরুদ্ধে কথা বলব।”

‘আপনি যেতে চাইলে অন্য যেকোনো সময় টক শো আয়োজন করতে পারি’- যমুনায় টেলিভিশনের ওই সাংবাদিকদের এমন প্রস্তাবের পর হাসতে হাসতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যমুনায় যাওয়ার ইচ্ছা নাই। ওখানে তো সম্রাট শাহজাহান যাবে।”

jamat e islami

জামায়াত কেন রাজাকারের তালিকা করছে

জামায়াতে ইসলামীর দেশজুড়ে রাজাকারের তালিকা সংগ্রহ করা নিয়ে একই সঙ্গে কৌতূহল ও প্রশ্নের জন্ম হয়েছে নানা মহলে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন রাজাকারের তালিকা করতে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী দলটির উদ্দেশ্য নিয়ে।

এ বিষয়ে জামায়াত ও শিবিরের কয়েকজন নেতার সঙ্গে আলাপচারিতায় তাদের এই কার্যেক্রমের পেছনে কয়েকটি উদ্দেশ্যের কথা উঠে এসেছে। এর মধ্যে প্রধানত রয়েছে:

এক. একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় দলীয় নেতাকর্মী ও অনুসারীদের মধ্যে যারা মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত ছিলেন, তাদের দল থেকে বাদ দেয়া;

দুই. জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার বিষয়টি সামনে এলে দল হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াতের ভূমিকায় কোনো ভুল ছিল না, তখনকার সিদ্ধান্ত ছিল রাজনৈতিক, এমনটা তুলে ধরা;

তিন. মহাজোট সরকারের তালিকা অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল বিচারকার্য শুরু করলে তখন অভিযুক্ত নেতাকর্মীদের আইনি সহায়তা, পরিবারের দেখভালসহ মামলার কার্যক্রম পরিচালনা করা।

গত আগস্ট মাসের শেষের দিকে জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান রাজাকারদের তালিকা করতে দেশের সব জেলা আমিরের কাছে একটি চিঠি পাঠান।

ওই চিঠিতে শফিকুর রহমান বলেন, “সরকার দেশ থেকে ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলনকে নিশ্চিহ্ন করার ঘৃণ্য এক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তারই অংশ হিসেবে জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে ইতোমধ্যেই তথাকথিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা একটি তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনের কাছে জমা দিয়েছে।”

শিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির একজন সম্পাদক বলেন, “রাজাকারদের তালিকা করা জামায়াত-শিবিরের কাজ নয়। কাজটি মূলত করেছেন আইনজীবীরা। আমরা একটু সহযোগিতা করেছি। ট্রাইব্যুনালের প্রয়োজনে সারা দেশ থেকে আমরা তথ্য সংগ্রহ করেছি। ট্রাইব্যুনালে বিচারের নামে নেতৃবৃন্দকে শোষণ, নির্যাতন করা হবে। এটা তো হবে না। আমরা মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত আসল ও সত্য ঘটনা তুলে আনতে চাই।”

জামায়াতে ইসলামীর একজন প্রকৌশলী বলেন, “রাজাকারদের নিয়ে মহাজোট সরকারের করা তালিকা স্বচ্ছ নয়। তাই সত্য বিষয় দেশের মানুষের কাছে তুলে ধরতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।”

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাকা মহানগর জামায়াতের একজন কর্মপরিষদ সদস্য বলেন, “জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার বিষয়টি সামনে এলে রাজাকারদের তালিকা প্রকাশ করা হবে। ওই সময়ে যারা অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিল, তাদের অধিকাংশই জামায়াত নয়, অন্যান্য দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত।”